Loading...

দি রিজন ফর গড (সত্যের অনুসন্ধান, দ্বিতীয় খন্ড)

ঈশ্বরের অস্তিত্ব আবিষ্কার করতে একটা বিজ্ঞানসম্মত অনুসন্ধান করুন।

এটা হতবাক হয়ে যাবার মত ব্যাপার। যদি সমস্ত ঘটনাগুলি একসাথে করেন তাহলে কি ধরনের চিত্র আপনি পাচ্ছেন?

আমি বিজ্ঞানসম্মত আবিষ্কার সমূহ ব্যবহার করতে চলেছি কারণ আমি ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কিত ব্যাপার নিয়ে কাজ করছি।

প্রকৃত ঘটনা সর্বোত্তম ভাবে বর্ণনা করতে আমরা বিজ্ঞানের ব্যবহার করি।

বিজ্ঞানসম্মত আবিষ্কার সমূহ ধাঁধার টুকরোর মত।

যদি আপনি সমস্ত টুকরোগুলি একত্রিত করেন,

তাহলে জীবনের উৎস সম্পর্কিত কি ধরণের চিত্র আপনি দেখতে পান?

প্রথমত, কিছু সীমাবদ্ধতা আছে।

যদি ঈশ্বর আমাদের পরীক্ষার অংশ হয়ে থাকেন তাকে অধ্যয়ন করা সম্ভব হবে না।

ঈশ্বর বসবাস করেন অন্য জগতে।

কিন্তু কিছু সন্দেহপ্রবণ ব্যক্তির মতানুসারে: “ঈশ্বর হল আমাদের কল্পনাপ্রসুত সৃষ্টি”।

অর্থাৎ প্রথম প্রশ্ন হল: “ঈশ্বরের কি অস্তিত্ব আছে?”

আসুন, ধরে নেওয়া যাক যে ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই।

তাহলে জীবন হল শুধুমাত্র একটা আকস্মিক ব্যাপার এবং এর কোন বিশেষ অর্থ নেই।

এটা কি সত্য হতে পারে?

আসুন, এবার ঘটনা সমূহ দেখা যাক। আমাদের বিশ্ব তৈরী হয়েছিল বিগ ব্যাং এর কারণে।

শুধু মাত্র কোন বৃহত্তর শক্তি এই বিগ ব্যাং কে সম্ভব করে তুলতে পারে।

মহাকাশে তুলনামূলক ভাবে একটা নিরাপদ স্থানে আমাদের পৃথিবী অবস্থান করছে।

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সেইসব শর্তাবলীকে নির্দেশ করে যা জীবন কে সম্ভব করে তুলেছে।

আমাদের পৃথিবীর অবস্থান এবং বিরাজমান প্রাকৃতিক নিয়ম সমূহ যা, একটি সুসজ্জিত, সুসংহত বিশ্বকে নির্দেশ করছে।

আমাদের DNA-এর গঠন সম্পর্কে ভাবুন।

এটা হল তথ্যের একটা জটিল ও অনন্য কোড।

এটা নির্দেশ করে কোন প্রকারের প্রোটিন অনু তৈরী করা দরকার।

একটা সরল কোষ প্রায় তিন থেকে পাঁচশো প্রোটিন অনুর সমন্বয়ে গঠিত।

অথবা, আমাদের ‘চোখ’ এর দিকে লক্ষ করুন। এটা একটা সুসংহত সিস্টেম যেখানে ৪০টি সাব-সিস্টেম একসাথে কাজ করছে।

লক্ষ লক্ষ কোষ এতে অন্তর্ভুক্ত আছে। জটিলতা সত্যই বিস্ময়কর।

সুক্ষ্মাতিসুক্ষ্ম স্তরে, যেমন মানুষের মস্তিষ্কের কোষ, চোখ এবং DNA-এর ক্ষেত্রে আমরা পর্যবেক্ষণ করি একটা প্রচন্ড জটিলতা।

আপনি কি মনে করেন যে সম্পূর্ণ জৈবিক সিস্টেম সমূহ কি আকস্মিক ভাবে সৃষ্ট পদ্ধতিগুলির সমান্বয়ে গঠিত হয়েছে।

আমি বলতে চাইছি যে, আপনি কি বিশ্বাস করেন যে শূন্যতা থেকে কোন কিছু সৃষ্টি হয়েছে।

এবং আকস্মিক ভাবে সৃষ্টি হয়েছে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত জটিল সিস্টেম সমূহ?

কিসের উপর ভিত্তি করে আমরা পর্যবেক্ষণ করতে পারি, আমরা জানতে পারি যে তথ্যের জটিল সিস্টেম তৈরী করতে আমাদের দরকার বুদ্ধিমত্তা।

তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সুত্রের বক্তব্য অনুসারে সময়ের সাথে সিস্টেমের জটিলতা কমতে থাকে।

কিন্তু শুধুমাত্র বস্তুগত অংশ ছাড়াও আরো বড় কিছু রয়েছে।

আমাদের দেখতে পাওয়া সমস্ত নক্ষত্র এবং রঙ সমূহ কে আকস্মিকতার দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় না।

আকস্মিকতা দ্বারা আমাদের সচেতনতার অস্তিত্ব, সত্য, ন্যায়পরায়ণতা এবং ভালোবাসা ব্যাখ্যা করা যায় না।

তাই, আমাদের দেখতে পাওয়া বাস্তব সম্পর্কে সঠিকভাবে বুঝতে হলে, ঈশ্বরের অস্তিত্বই হল সর্বোত্তম উপায়।

বিখ্যাত বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন একদা বলেছিলেন:

“সমস্ত অস্তিত্ব সম্পন্ন বিষয়ের একত্রিত রূপে ঈশ্বর নিজেকে প্রকাশ করেন একটা সুসিজ্জিত ক্রমে”।

আজকাল, বেশ কিছু সংখ্যক বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে পৃথিবীতে আমাদের জীবন সজ্জার পিছনে একটা উচ্চতর বুদ্ধিমত্তা রয়েছে।

এই উন্নত বুদ্ধিমত্তা শুধুমাত্র ঈশ্বরেরই হতে পারে।

বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ বিশ্বাস করেন যে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব আছে।

কিন্তু ঈশ্বর সম্পর্কিত ব্যাপারে মানুষের বিভিন্ন রচনার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধর্ম রয়েছে।

তৃতীয় খন্ডে আমি ব্যাখ্যা করব আপনি কিভাবে কোন ধর্মের মূল্যায়ন করতে পারেন।

বিশেষত, আমি উন্মোচন করব খ্রীষ্টান ধর্মে বিশ্বাসের মূল্য।

দ্বিতীয় খন্ডটি দেখার করার জন্য ধন্যবাদ। আমি আশা করি, আপনার সাথে প্রথম বা তৃতীয় খন্ডে আবার দেখা হবে!

দি কোড অফ লাইফ অ্যান্ড রিলিজিয়ন (সত্যের অনুসন্ধান, তৃতীয় খন্ডের দ্বিতীয় ভাগ)
2018-12-11T12:52:15+00:00

Pin It on Pinterest

Share This